অনার্স (২৩-২৪) ভর্তির রেজাল্ট দেখতে ☞ ক্লিক করুন
অনার্স/ডিগ্রি পরীক্ষার রেজাল্ট দেখতে ☞ ক্লিক করুন

ন্যাশনাল সিজিপিএ ও রেজাল্ট পাওয়ার পর করনীয় কি? বিস্তারিত দেখুন।

⚠️⚠️জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর গ্রেডিং সিস্টেম ও CGPA নির্ণয় করার সহজ পদ্ধতিঃ


📛📛গ্রেডিং সিস্টেম⤵️

৮০ বা তদুর্ধ = A+ = ৪.০০ বা ১ম বিভাগ
৭৫ থেকে ৭৯ = A = ৩.৭৫ বা ১ম বিভাগ
৭০ থেকে ৭৪ = A- = ৩.৫০ বা ১ম বিভাগ
৬৫ থেকে ৬৯ = B+ = ৩.২৫ বা ১ম বিভাগ
৬০ থেকে ৬৪ = B = ৩.০০ বা ১ম বিভাগ
৫৫ থেকে ৫৯ = B- = ২.৭৫ বা ২য় বিভাগ
৫০ থেকে ৫৪ = C+ = ২.৫০ বা ২য় বিভাগ
৪৫ থেকে ৪৯ = C = ২.২৫ বা ২য় বিভাগ
৪০ থেকে ৪৫ = D = ২.০০ বা ৩য় বিভাগ
৩৯ থেকে ০ = Fail = ০.০০


📛📛CGPA নির্ণয়⤵️

১ বছরের CGPA নির্ণয : এক বছরে মোট অর্জিত পয়েন্ট এক বছরে মোট অর্জিত ক্রেডিট।

এক বছরে মোট অর্জিত পয়েন্ট : কোন বিষয়ে প্রাপ্ত পয়েন্টকে ঐ বিষয়ের ক্রেডিট দিয়ে গুন। এভাবে সকল সাবজেক্টের পয়েন্টকে তাদের ক্রেডিট দিয়ে গুন দিয়ে সব গুনফলকে যোগ করে পাওয়া যাবে এক বছরের মোট অর্জিত পয়েন্ট।

এক বছরের মোট অর্জিত ক্রেডিট ও পাশ কৃত সকল বিষয়ের ক্রেডিট যোগ করে পাওয়া যাবে এক বছরের মোট অর্জিত ক্রেডিট।

উদাহরণঃ বিষয়ভিত্তিক পয়েন্ট × তার ক্রেডিট।

A-= 3.50×4 =14;
B+=3.25×4=13;
A+=4.00×4 =16;
B+=3.25×4=13;
A-=3.50×4=14;
B+=3.25×4 =13.

সুতরাং মোট অর্জিত পয়েন্টস:
14+13+16+13+14+13=83

এবং মোট অর্জিত ক্রেডিট:
4+4+4+4+4+4=24

মোট জিপিএ দাড়ায় : 83÷24=3.45


📛📛৪ বছরের CGPA নির্নয়: চার বছরের মোট অর্জিত পয়েন্ট (প্রথম বর্ষ + ২য় বর্ষ + ৩য় বর্ষ + চতুর্থ বর্ষ) ➗ পুরো কোর্সের মোট অর্জিত ক্রেডিট সংখ্যা।

চার বছরের মোট অর্জিত পয়েন্ট : জিপিএ নির্নয়ের প্রথম ধাপের ন্যায় সকল বর্ষের "মোট অর্জিত পয়েন্টস" গুলো পর পর যোগ করলে পাবেন চার বছরের মোট অর্জিত পয়েন্ট।

📛📛পুরো কোর্সের মোট অর্জিত ক্রেডিট : পুরো কোর্সের সকল পাশকৃত বিষয়ের ক্রেডিটের যোগ ফল হলো পুরো কোর্সের মোট অর্জিত ক্রেডিট।

উদাহরণঃ চার বছরের মোট অর্জিত পয়েন্টস : 83+85+81+79=328

পুরো কোর্সের মোট অর্জিত ক্রেডিট : 24+24+26+28=102

অতএব, মোট CGPA : 328÷102=3.21






📛📛অনার্স ১ম বর্ষের ফলাফলে যারা প্রমোশন পেয়েছে অথবা নট প্রমোটেড হয়েছে তাদের করণীয়ঃ

⚠️⚠️সকল বিষয়ে পাস করে যারা ২য় বর্ষে প্রমোশন পেয়েছে⤵️

• পাসকৃত বিষয়ের কোন কোর্সে যারা C, D পেয়েছেন তাদের গ্রেড উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে। 
• C,D প্রাপ্ত বিষয়ের গ্রেড উন্নয়নের ক্ষেত্রে শুধু পরবর্তী বছরেই পরীক্ষা দেয়া যাবে। 
• C, D প্রাপ্ত সর্বোচ্চ ২ টি বিষয়ে গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। 
• নিউ অনার্স ১ম বর্ষের পরীক্ষার্থীদের সাথে ফরম পূরণ করে গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে।
• D/C প্রাপ্ত বিষয়ে পরিক্ষা দিয়ে আপনি যা মার্ক পাবে তাই দেয়া হবে। 

⚠️⚠️অনার্স ১ম বর্ষে যারা একাধিক বিষয়ে ফেল করেও ২য় বর্ষে প্রমোশন পেয়েছে⤵️

• যারা একাধিক বিষয়ে ফেল করেও ২য় বর্ষে প্রমোশন পেয়েছে তাদের ফেলকৃত বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন এর মেয়াদের মধ্যে অবশ্যই পাস করতে হবে। 
• পাস না করা পর্যন্ত একাধিকবার পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ রয়েছে। 
• F প্রাপ্ত কোর্সের গ্রেডকে অবশ্যই কমপক্ষে D গ্রেডে উন্নীত করতে হবে। অন্যথায় অনার্স ডিগ্রী প্রাপ্ত হবে না।
• ফেলকৃত বিষয়ে পাস করলেই সে বিষয়ে আর গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ থাকবে না। 
• ফেলকৃত বিষয় ছাড়াও শিক্ষার্থীরা C, D প্রাপ্ত সর্বোচ্চ ২ টি বিষয়ে গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষা দিতে পারবে। 
• নিউ অনার্স ১ম বর্ষের পরীক্ষার্থীদের সাথে ফরম পূরণ করে গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে।
• D/C প্রাপ্ত বিষয়ে পরিক্ষা দিয়ে আপনি যা মার্ক পাবে তাই দেয়া হবে। F প্রাপ্ত বিষয়ে পরিক্ষা দিয়ে আপনি যা মার্ক পান না কেন B+ এর বেশি দেয়া হবেনা। 

⚠️⚠️যারা কন্ডিশনাল প্রমোশন পেয়েছে⤵️

• এক বিষয়ে পরীক্ষা না দিয়েও যারা ২য় বর্ষে প্রমোশন পেয়েছে তাদের অবশ্যই পরবর্তী বছর উক্ত বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। 
• পাস না করা পর্যন্ত একাধিকবার উক্ত বিষয়ে রেজিষ্ট্রেশনের মেয়াদের মধ্যে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ রয়েছে। 
• absent বিষয়কে অবশ্যই কমপক্ষে D গ্রেডে উন্নীত করতে হবে। অন্যথায় অনার্স ডিগ্রী প্রাপ্ত হবে না।
• absent বিষয়ে পাস করলেই সে বিষয়ে আর গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ থাকবে না। 
• উক্ত বিষয় ছাড়াও শিক্ষার্থীরা C, D প্রাপ্ত সর্বোচ্চ ২ টি বিষয়ে গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষা দিতে পারবে। 
• C,D প্রাপ্ত বিষয়ের গ্রেড উন্নয়নের ক্ষেত্রে শুধু পরবর্তী বছরেই পরীক্ষা দেয়া যাবে। 
• নিউ অনার্স ১ম বর্ষের পরীক্ষার্থীদের সাথে ফরম পূরণ করে গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
• D/C প্রাপ্ত বিষয়ে পরিক্ষা দিয়ে আপনি যা মার্ক পাবে তাই দেয়া হবে। F প্রাপ্ত বিষয়ে পরিক্ষা দিয়ে আপনি যা মার্ক পান না কেন B+ এর বেশি দেয়া হবেনা। 

⚠️⚠️যারা নট প্রমোটেড হয়েছেন⤵️

• যারা নট প্রমোটেড হয়েছে তারা পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে প্রমোশন পাবেন না।
• যারা নট প্রমোটেড হবে, তাদের আবার ১ম বর্ষে ভর্তি হয়ে পরিক্ষা দিয়ে পাস করতে হবে।
• নট প্রমোটেড হলে আপনার ১ বছর শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হয়ে যাবে।
• ২ বার নট প্রমোটেড হলে আপনি অনার্স কোর্সে ড্রপ আউট বলে বিবেচিত হবেন ।
• ২ বার নট প্রমোটেড এর কারণে আপনার অনার্স কোর্সটি বাতিল হয়ে যাবে। ফলে আপনি আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স কোর্স করতে পারবেন না ।
• F প্রাপ্ত কোর্সের গ্রেডকে অবশ্যই কমপক্ষে D গ্রেডে উন্নীত করতে হবে। অন্যথায় অনার্স ডিগ্রী প্রাপ্ত হবে না।
• নট প্রমোটেড প্রাপ্তরা C এবং D প্রাপ্ত বিষয়ে পরিক্ষায় দেয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে মান উন্নয়নের জন্য দিতে পারবে শুধু পরবর্তী বছর। 
• C, D প্রাপ্ত সর্বোচ্চ ২টি বিষয়ে গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষা দিতে পারবে। 
• নট প্রমোটেড শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিয়ে সব মিলে অন্তত ৩ টি তত্বীয় বিষয়ে পাস করলে সে ২য় বর্ষে প্রমোশন পাবে।
• নট প্রমোটেড শিক্ষার্থীগণ পুনরায় পরীক্ষা দিয়ে নট প্রমোটেড হলে তাদের অনার্স কোর্স বাতিল হয়ে যাবে।
• D/C প্রাপ্ত বিষয়ে পরিক্ষা দিয়ে আপনি যা মার্ক পাবে তাই দেয়া হবে। F প্রাপ্ত বিষয়ে পরিক্ষা দিয়ে আপনি যা মার্ক পান তাই দেওয়া হবে। যদিও আগে B+ এর বেশি দেওয়ার নিয়ম ছিলো, এখন তা পরিবর্তন হয়েছে।